মোহাম্মদ আককাস আলী,জেলা প্রতিনিধি :
একদিকে সংসারের ঘানি অন্যদিকে পরিবার-পরিজনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করে সাফল্যের মুখ দেখতে শুরু করেছেন গ্রাম বাংলার বধুরা। তারা এখন বিদেশি জাতের পেকিন হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী। এক সময় গ্রাম বাংলার বধূরা অভাব অনটনের কষাঘাতে জর্জরিত ছিল। এই জাতীয় হাঁস পালন করে তারা এখন স্বপ্ন বলতে শুরু করেছে। পেকিন হাঁসগুলো দেখতে সুন্দর ও দ্রুত বর্ধনশীল হওয়ায় বাজারে এর চাহিদা বেশি। পেকিন হাঁস মূলত মাংস উৎপাদনের জন্য পালন করা হয়। এটি চীনের জনপ্রিয় বানিজ্যিক জাতের হাঁস। ১৮০০ দশকের মাঝামাঝি সময়ে এই জাতটি পশ্চিমা বিশ্ব থেকে আনা হয়েছিল। গড়ে প্রতিটি হাঁস বছরে ২২০-২৫০টি ডিম দেয়। পেকিন হাঁস মূলত মাংস উৎপাদনের জন্য আদর্শ একটি জাত। মাত্র ৪৫ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে এই হাঁসের ওজন ৩ থেকে ৪ কেজি পর্যন্ত হয়। এই হাঁসগুলোর মাংস খুব সুস্বাদু, পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ ও নরম হওয়ায় সকল বয়সের মানুষ খেতে পারে। অন্যান্য জাতের হাঁসের তুলনায় এর রোগ-বালাই কম।
প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, চীনের সৃষ্ট উন্নত জাতের পেকিন হাঁস পালন করে গ্রামীণ নারীরা সফলতা অর্জন করেছেন। বিষয়টি নারীদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে একটি মাইল-ফলক হিসেবে কাজ করছে। গ্রামীণ নারীদের এ ধরনের উন্নত জাতের হাঁস-মুরগি পালনে প্রাণী সম্পদ বিভাগ সব ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা দিতে প্রস্তত।
