কবি ও সাহিত্যিকেরা প্রকৃতির মাঝে খুঁজে পেয়েছেন মানুষের জীবনের গভীরতম দর্শন


মোহাম্মদ আককাস আলী,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি :


যুগে যুগে কবি ও সাহিত্যিকেরা প্রকৃতির মাঝে খুঁজে পেয়েছেন মানুষের জীবনের গভীরতম দর্শন, আনন্দ, বেদনা এবং মুক্তির পথ। প্রকৃতি তাঁদের কাছে কেবল গাছপালা, নদী-নালা বা আকাশ নয়; বরং প্রকৃতি হলো এক জীবন্ত সত্তা, যা তাঁদের অনুভূতির সাথে কথা বলে।

 তাঁদের আত্মা প্রকৃতির সঙ্গে একাকার হয়ে থাকে। তাঁরা প্রকৃতিকে শুধু জড় বস্তু হিসেবে দেখেন না, বরং তাকে একটি জীবন্ত সত্তা হিসেবে বিবেচনা করেন। প্রকৃতির শান্ত রূপ যেমন তাদের মনে প্রশান্তি আনে,তেমনি ঝড়-ঝঞ্ঝা তাদের ভেতরের অশান্ত বা বিদ্রোহী রূপকে ফুটিয়ে তোলে।

কবিরা সংসারের কোলাহল এবং জীবনের জটিলতা থেকে মুক্তি পেতে প্রকৃতির আশ্রয়ে যান। গাছের পাতা ঝরা, নদীর বয়ে চলা বা আকাশের বিশালতার মাঝে তারা জীবনের গভীর সত্য খুঁজে পান। প্রকৃতি যেন তাদের একাকীত্বকে আপন করে নেয়।

সাধারণ মানুষ প্রকৃতিকে কেবল উপভোগ করে, কিন্তু একজন কবি বা সাহিত্যিক প্রকৃতির সাথে নিজের অস্তিত্বকে মিলিয়ে দেন। প্রকৃতির মাঝেই তাদের সৃষ্টিশীলতার জন্ম হয় এবং সেখানেই তাদের আত্মা চিরন্তন মুক্তি খুঁজে পায়।

একজন প্রকৃত কবি বা সাহিত্যিক যখন সৃষ্টিশীল কাজে মগ্ন হন, তখন তিনি মানুষের আবেগ, অনুভূতি, সুখ-দুঃখ এবং জীবনকে খুব কাছ থেকে উপলব্ধি করেন। তাদের চিন্তাভাবনা সাধারণত অনেক উদার এবং সংবেদনশীল হয়।

আদর্শগতভাবে একজন কবি বা সাহিত্যিকের হিংসুটে হওয়া মানায় না,তবে মানুষ হিসেবে তারা শতভাগ নিখুঁত নাও হতে পারেন। তাঁরাও রক্তমাংসের মানুষ,তাই তাঁরাও সাধারণ মানুষের মতো রাগ, অভিমান, অহংকার কিংবা হিংসার মতো মানবিক দুর্বলতার ঊর্ধ্বে নন। নওগাঁর উপজেলার বিখ্যাত কবি ও গল্পকার  আহম্মেদ হোসেন বাবুর সাথে তাঁর মাহমুূদপুর(প্রকৃতির রূপে ভরা) বাসভবনে একান্ত আলাপ চারিতাই উঠে আসে উপরোক্ত কথাগুলো।

কবি আহম্মেদ হোসেন বাবুর বাসস্থান যেন প্রকৃতির সঙ্গে মিশে আছে। পাখি ডাকছে,গাছে গাছে কাঠবিড়ালি ছুটছে,বিড়াল উৎপেতে শিকারির অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। প্রকৃতির দেবতা হাতছানি দিয়ে ডাকছে ওহে কবি হিংসা বিদ্বেষ ভুলে প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে তুলে ধরো প্রকৃতির রূপ,মিশে যাও প্রকৃতির সাথে।

News Publisher (Editor Cheif)

মহাদেবপুরের খবর এর সকল নিউজের সঠিক এডিটিং কনফার্মেশন এর দায়িত্বে নিয়োজিত।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

বিজ্ঞাপন