স্টাফ রিপোর্টার :
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ঐতিহাসিক বৌদ্ধবিহার পাহাড়পুরে পালিত হলো বিশ্ব পর্যটন দিবস।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকেই ঐতিহাসিক এই সোমপুর মহাবিহার চত্বরে ছিল পর্যটক ও স্থানীয়দের উৎসবমুখর উপস্থিতি। পর্যটন দিবসের শোভাযাত্রা শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ইউএনও ইসরাত জাহান ছনির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালক এ কে এম সাইফুর রহমান।
আলোচনা সভায় বক্তারা পাহাড়পুরের প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব, পর্যটন সম্ভাবনা এবং এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে পর্যটনশিল্পের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে বিশ্ব ঐতিহ্যের এই নিদর্শন সংরক্ষণে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার শুধু একটি প্রাচীন স্থাপনা নয়, এটি দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস ও বৌদ্ধ সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। পাল আমলে নির্মিত সোমপুর মহাবিহার একসময় বৌদ্ধ জ্ঞানচর্চার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল।
স্থাপত্যের বৈশিষ্ট্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। এরপর থেকেই বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক ও পর্যটন মানচিত্রে পাহাড়পুরের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।
পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের কাস্টডিয়ান মোহাম্মদ ফজলুল করিম বলেন, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারে রাস্তা, লেক, ফুটপাত, উন্মুক্ত মঞ্চ, গাড়ি পার্কিং, আধুনিক টিকিট কাউন্টার, গণশৌচাগার ও ভিআইপি লাউঞ্জসহ নানা কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর প্রাচীন এই বিহারকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে।