মোহাম্মদ আককাস আলী :
স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য বিজ্ঞান বিতর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি কেবল বিজ্ঞানের তাত্ত্বিক জ্ঞানকে গভীর করে না, বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে যুক্তিবোধ, সমালোচনামূলক চিন্তা এবং অনুসন্ধিৎসু মানসিকতা তৈরি করে। বিজ্ঞান কেবল কিছু মুখস্থ তথ্যের সমষ্টি নয়, এটি একটি চিন্তাপদ্ধতি—যা বিতর্কের মাধ্যমে সবচেয়ে কার্যকরভাবে বিকশিত হয়। সাধারণ বিতর্কের চেয়ে বিজ্ঞান বিতর্ক কিছুটা ভিন্ন, কারণ এখানে প্রতিটি দাবিকে সুনির্দিষ্ট তথ্য, উপাত্ত এবং বৈজ্ঞানিক প্রমাণ দিয়ে প্রতিষ্ঠা করতে হয়।
প্রশিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
এই বিতর্ক প্রতিযোগিতায় নওগাঁ শহরের স্বনামধন্য সরকারি কেডি উচ্চ বিদ্যালয়, জেলা স্কুল, জেলা গার্লস স্কুল,বিয়াম স্কুল সহ আটটি স্কুল। বিতর্কের মূল ইস্যু ছিল বিজ্ঞান।
শিক্ষায় উদ্দেশ্য শুধু পাঠ্যপুস্তক পড়া নয়, আগামী দিনের সুনাগরিক হিসেবে এবং একজন সৃজনশীল মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার জন্য পাঠ্য পুস্তকের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, খেলাধুলা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, বন্ধুদের সাথে আড্ডা এসব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের কর্মকাণ্ড তরুণদের মাদকসহ বিভিন্ন অসামাজিক কাজ থেকে দূরে রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। সেই সাথে পাঠ্যপুস্তক পড়ার পাশাপাশি কো কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস স্কুল শিক্ষার্থীদের কে অপরাধ প্রবণ কাজ, এবং সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার থেকে দূরে রাখবে।
বাংলাদেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করতে সমকাল-ফ্রিডম ফাউন্ডেশন জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবের মতো আয়োজনগুলো দীর্ঘদিন ধরে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে। শিক্ষার্থীদের আগামীর বাংলাদেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিটি স্কুলেই নিয়মিত বিজ্ঞান বিতর্ক চর্চা কো কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন ।